রজব আলীর পূর্ব ইতিহাস সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি
না। দীর্ঘ কাঁচাপাকা চুলের বয়স কত, তাও এখনো আমাদের কাছে একটা রহস্য। হুদা লেনের
একপাশে রজব জুতো পালিশের জন্য বসে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। কাঠের পিড়িতে
সারাদিন বসে থেকে সে শুধু জুতো পরিস্কার করে, নাকি আর কিছু ভাবে, সেটা দেখার সময়
পাড়ার নেড়ি কুকুরটা ছাড়া আর কারো আছে বলে মনে হয় না। হুদা লেনের লোকজন কেবল
জানে, রজব আলী নামে একজন মুচি আছে, যাকে একপাটি ছেড়া ময়লা ছাল ওঠা জুতো দিলেও তা
চমৎকারভাবে সারিয়ে তুলবে।
Showing posts with label গল্প. Show all posts
Showing posts with label গল্প. Show all posts
Thursday, November 29, 2012
Wednesday, June 27, 2012
ক্যাম্পাস || সকাল থেকে দুপুর আর একজন নাফিসের গল্প
সকালবেলা বাইরে থাকা একসারি চায়ের দোকান থেকে ভার্সিটিটাকে দেখতে খারাপ লাগে না। আমি মাঝে মাঝে বসে বসে হারুন মামার দোকানে চা খাই আর ভার্সিটিকে ভালো করে দেখি। চার বছর আগে যেমনটা দেখতাম, এখনো তেমনটাই আছে, তেমন একটা বদলায় নি। তবে বদলাচ্ছে কোথাও, কোথাও একটা সূক্ষ্ম পরিবর্তন হচ্ছে ঠিকই। সেটা খুজতে হবে...উত্তর হয়ত আছে আমাদের সামনেই।
Saturday, June 2, 2012
টুসকি ও তারা দুইজন
'আচ্ছা, ধর, আমরা সবাই মিলে যদি গর্জ্যেস ম্যলিসের জন্মদিন পালন করি, তবে কেমন হয়?'
নাবিলের এই প্রশ্ন শুনে বিষম খেলাম।'গর্জিয়াস মালিশ!! সেইটা আবার কি?'
নাবিল আমার কথা শুনে ভ্রু কূঁচকাল।' ধুর ব্যাটা মালিশ বলছিস ক্যানো? ম্যলিস্ ম্যলিস্-গর্জেস্ ম্যলিস! ফ্রান্সের বিখ্যাত ১০ জন ফিল্ম ডিরেক্টরদের একজন। হুগো দেখিস নি বুঝি?'
সকালে ক্যান্টিনে খেতে বসেছিলাম। এত্ত জ্যাম ঠেলে যখন ভার্সিটি পৌছাই তখন খিদের চোটে মাথায় কিছু থাকে না। এমনিতেই ক্ষুধায় কাতর, তার উপর নাবিলের হঠাৎ প্রশ্নে বিষম খেলাম।
নাবিল আমার সামনের চেয়ারটা ঠেলে বসল। ' শোন। ধর আজকে তুই এমন একটা কাজ করলি, যেটার কথা আজ থেকে ৯০ বছর পরও লোকে স্মরণ করছে। তখন তোর কি মনে হবে?'
Monday, March 12, 2012
রিপোর্ট
মেডিকেলের মর্গে সামনে ভীড় লেগে থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। মর্গ মানেই প্রতিদিন দু'-চারটা অ্যাকসিডেন্ট, দুটা খুন, একটা আত্মহত্যার হ্যাপা সামলান। তাও এটা মফস্বলের মর্গ, ঢাকা শহর হলে যে কি হত, খোদাই মালুম। প্রতিদিনই এখানে লাশ আসে, প্রতিদিনই চলে যায়। মানুষের আর্তনাদের শব্দ আর কাকের কর্কশ ডাকে হাসপাতালের এই দিকটা মাতিয়ে রাখে।
আজকের রগড় মনে হয় অন্যরকম। সকালে এসেছি, শুনলাম কোন এক যুবনেতা ক্রসফায়ারে মারা গেছে। সকাল বেলাই তাই রাফি ভাই আমাকে পাঠিয়ে দিল, রিপোর্ট করতে। কি ছাতার রিপোর্ট লিখব তাই ভাবছিলাম।
মর্গের সামনে পুলিশের গাড়ি তখনো আসে নাই। আমি একটু আরাম করে একটু দূরে দাঁড়িয়ে বিড়ি ফুকছি। হঠাৎ দেখি, মর্গের সামনে জটলা বেধেছে।
একটা মানুষ মর্গের সামনে বসে কাদছে। কে ওখানে?
Saturday, October 22, 2011
বাসুর শেষ রাত
লোকটার অসহায় ভঙ্গি দেখে অনেকের মায়া হতে পারে, কিন্তু বাসুর হল না। সে একমনে ছুরিতে শান দিতে লাগল।
হাঁটু গেড়ে ও লোকটার সামনে বসল। আশেপাশে হালকা বাতাস বইছে ঠিকই, কিন্তু এতে লোকটার এতটা কেঁপে ওঠার কথা ছিল না। বাসু তার দমকা হাসিতে ফেটে পড়লো। ‘এমা, তুই তো ভয় খেয়ে আগেই মরে যাবি রে !’ হাসির দমকে লোকটার ভয় আরও বেড়ে যায়, কাঁপতে থাকে মৃগী রোগীর মত।
হঠাৎ দাঁত-মুখ শক্ত হয়ে যায় বাসুর, মুখ খিচিয়ে বলে,' তাহলে আমি ছুরি ধার দিচ্ছি কেন হারামজাদা!
হাঁটু গেড়ে ও লোকটার সামনে বসল। আশেপাশে হালকা বাতাস বইছে ঠিকই, কিন্তু এতে লোকটার এতটা কেঁপে ওঠার কথা ছিল না। বাসু তার দমকা হাসিতে ফেটে পড়লো। ‘এমা, তুই তো ভয় খেয়ে আগেই মরে যাবি রে !’ হাসির দমকে লোকটার ভয় আরও বেড়ে যায়, কাঁপতে থাকে মৃগী রোগীর মত।
হঠাৎ দাঁত-মুখ শক্ত হয়ে যায় বাসুর, মুখ খিচিয়ে বলে,' তাহলে আমি ছুরি ধার দিচ্ছি কেন হারামজাদা!
Thursday, October 13, 2011
কবিতা আর কোন এক রাতের গল্প
আমাদের দেশে জীবন শুরু হয় খুব ছোটবেলায়। হয়তো কেউ ছোটবেলায় নিজের পরিচয় হারায়, কেউ হারায় তার বাবা-মাকে,আবার কেউ জানে না তার জন্ম কোথায়। কেউ কেউ খুব ছোটবেলা থেকেই নিজের পরিচয়ের পরিবর্তন দেখে।কেউ ছোটবেলায় বিয়ের পিড়িতে বসে, কেউ তার আপনজনদের হাতে হারায় সম্ভ্রম। আবার কেউবা এসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রেহাই পেলেও আশেপাশের কলুষিত জীবন দেখে কষ্ট পায়।
এইটুকু লিখেই আর ভালো লাগল না। সাড়ে নয়টা বাজে, ছবি দেখতেও মন চাইছে না। ফ্যান চালানো, তারপরও শরীরে ফতুয়াটা ভিজে জবজবে হয়ে লেগে আছে। শিরিন কালকে দেখলে নিশ্চয়ই বলবে, ‘একদিনেই ফতুয়াটার কি হাল করলে? দাম দিয়ে তোমাকে কোন কিছু কিনে দেবার কোন মানেই হয় না!’
এই গরমে আমার সবচেয়ে যেটা ভালো লাগে সেটা হল এক কাপ চা। গরম চা । অবশ্য গরম চা খেলে আজকাল বুকে হালকা ব্যথা হচ্ছে, সেটা সিগারেটের জন্যও হতে পারে। সিগারেটের কথা মনে পড়তেই আমি মনোয়ার ভাইকে বললাম, ‘মনু ভাই, গোল্ড লীফ আছে?’
Sunday, March 6, 2011
দুর্ঘটনা অথবা দুঃস্বপ্নের গল্প
Night terrors are something quite different. Nightmares tend to occur after several hours of sleep, screaming or moving about is very uncommon, the dream is usually elaborate and intense, and the dreamer realizes soon after wakening that he or she has had a dream. Night terrors, on the other hand, occur during the first hour or two of sleep, loud screaming and thrashing about are common, the sleeper is hard to awaken and usually remembers no more than an overwhelming feeling or a single scene, if anything. Nightmares and night terrors arise from different physiological stages of sleep.
১.
আজকাল আমার ভীষণ মাথাব্যথা করছে। চিনচিন করে ব্যথা। দুটো, তিনটে, চারটে প্যারাসিটামল খেলেও কোন কাজ হচ্ছে না। ডাক্তার দেখালাম, দেখে বললেন, “কই, তেমন কোন সমস্যা তো দেখছি না...।” দুটো ওষুধ লিখে দিলেন। “এগুলো পেইন কিলার, ব্যথা হলে খাবেন।” আজ দু-সপ্তাহ হয়ে গেল, ওষুধ খাওয়াই সার...ব্যথায় কাতর হয়ে আমি যেন নরকবাস করছি।
আজ রাতেও আমার মাথাব্যথা শুরু হল। প্রচণ্ড ব্যথায় মাথা ঠুকে মরতে মন চাইলো। টঙ্গীর ব্যস্ত অলিগলির মাঝে বিষময় যান্ত্রিক কোলাহল আর মেসের লোকজনের সপ্তাহ-শেষের আড্ডার হাস্যরস আমাকে পাগল করে তুলল। উপায়ান্তর না দেখে আমি মেস থেকে বের হলাম, আমার আর ভালো লাগছিলো না।
গলি থেকে হাইওয়ের দিকে যেতে লাগলাম। এক একটি পা ফেলছি আর মনে হচ্ছে মাথার ভেতর অবিরাম গতিতে হাতুড়ীর বাড়ি পড়তে লাগলো। মোড়টা পেরিয়ে তুরাগের পাড়ের দিকে এলাম। এদিকটায় আগে জনবসতি ছিল না। ভুমিদস্যুদের ধর্ষণে এ তুরাগ আজ কেবল রিক্তই হয়নি, ধীরে ধীরে নিজের মৃত্যুও ঘোষণা করছে।
আমি হাঁটতে হাঁটতে তেমনি একটা বালুময় দস্যু-প্রকল্পের দিকে এগুতে লাগলাম। ঠাণ্ডা বাতাস, ভাবলাম, হয়তো এখানকার বাতাস আমার ভালো লাগবে।
“হাঁটতে বেরিয়েছেন?”
“হাঁটতে বেরিয়েছেন?”
Saturday, February 12, 2011
অন্তুর আজো খেলতে ইচ্ছে করে।
অন্তু প্রতিদিন এই সময়টায় আকাশ দেখে। সকালের সূর্যটা আস্তে আস্তে উপরের দিকে উঠতে থাকে... আলোয় ভরে উঠে চারপাশটা। গাছগুলোর পাতার ফাঁকে ফাঁকে আলো তার ঘরের জানালা দিয়ে প্রবেশ করে...তার গায়ে আদর মেখে দেয়। অন্তু জানালার পর্দা মেলে দেয়, যেন সবটা আলো তার চাই-ই চাই।
আজও অন্তু আকাশ দেখছিল। মাঝে মাঝে অন্তু ভাবে, তার একটা ক্যামেরা থাকলে মন্দ হত না...দু-চারটা ছবি তুলতে পারতো। একটা ক্যামেরা তার অবশ্য আছে ঠিকই, কিন্তু ওটার ফিল্ম কিনতে হয়। অন্তুর ফিল্ম কেনার ঝামেলাটা ঠিক পছন্দ না। আজ অন্তু বাবাকে একটা ক্যামেরার কথা বলবে, অন্তত ঈদের সময় পেলেও খারাপ হবেনা ব্যাপারটা।
"কিরে, রুটিন ওয়ার্ক করছিস?"
আজও অন্তু আকাশ দেখছিল। মাঝে মাঝে অন্তু ভাবে, তার একটা ক্যামেরা থাকলে মন্দ হত না...দু-চারটা ছবি তুলতে পারতো। একটা ক্যামেরা তার অবশ্য আছে ঠিকই, কিন্তু ওটার ফিল্ম কিনতে হয়। অন্তুর ফিল্ম কেনার ঝামেলাটা ঠিক পছন্দ না। আজ অন্তু বাবাকে একটা ক্যামেরার কথা বলবে, অন্তত ঈদের সময় পেলেও খারাপ হবেনা ব্যাপারটা।
"কিরে, রুটিন ওয়ার্ক করছিস?"
Thursday, September 30, 2010
বাসস্ট্যান্ড
প্রতিদিন বাস স্ট্যান্ড এ দাঁড়ায় ওরা। একজন টিকেট কাটে শাহবাগের, আর অপরজন বারিধারার। প্রায় একই সময় আসে...কখনো কখনো মেয়েটা লেট করে ঠিকই, কিন্তু শেষ মুহূ্র্তে দেখা হয়ে যায় ওদের।
এতদিনে মুখটা চেনা হয়ে গেছে ওদের । দেখা হলেই একটু হাসে ওরা। ছেলেটা একটু লাজুক... আর মুখচোরা। পাশাপাশি স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকলেও কথা বলার সাহস হয়নি কখনও।বইটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকে চুপচাপ। ঝালমুড়িওয়ালা হাসে আর কান্ডকারখানা দেখে।
বৃষ্টির দিনের কথা খুব মনে পড়ে ছেলেটার। সেদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল...বাতাসও বইছিল খুব। ঝোড়ো হাওয়ায় মেয়েটার ছাতি উলটে গিয়েছিলো ;শত চেষ্টায়ও ঠিক করতে পারছিলো না। ছেলেটা ছাতাটা ঠিক করে দিলো " এই নিন, বাতাসের বিপরীতে ধরবেন, ছাতা উল্টাবে না"। মিষ্টি হাসলো মেয়েটা, " ধন্যবাদ "।
এভাবে দিন যায়...মাস যায়। পহেলা বৈশাখের দিনে ওরা সেজেছিলো আপন মনের রঙ এ । বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটিকে মেয়েটি ইশারা করে।
" শুনুন ? "
" হ্যা বলুন? "
" শুভ নববর্ষ "
"আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।"
আর কথা হয়নি। বাস নিয়ে যায় মেয়েটি্কে ... ছেলেটি চেয়ে থাকে অপলক ।
ওই দি্নটির কথা মেয়েটার মনে পড়ে এখনো । ছে্লেটা রাস্তা পার হবার সময় মোবাইলটা পড়ে যাবার পর যখন ওটা তুলতে গেলো , তখন ওর কেন যে গাড়িটার দিকে চোখ গেলো না, তা বিধাতাই জানেন। মেয়েটা এগিয়ে গিয়েছিলো। চেষ্টা করেছিলো ছেলেটাকে বাচাবার। কিন্তু সব কি এক জীবনে পাওয়া সম্ভব?
আজও মেয়েটি বাসে উঠে । যাবার আগে খেয়াল করে ওই বাস স্ট্যান্ডের দিকে। যদি কেউ আসে ওখানে... যদি কেউ তাকায় তার দিকে...।
এতদিনে মুখটা চেনা হয়ে গেছে ওদের । দেখা হলেই একটু হাসে ওরা। ছেলেটা একটু লাজুক... আর মুখচোরা। পাশাপাশি স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকলেও কথা বলার সাহস হয়নি কখনও।বইটা হাতে দাঁড়িয়ে থাকে চুপচাপ। ঝালমুড়িওয়ালা হাসে আর কান্ডকারখানা দেখে।
বৃষ্টির দিনের কথা খুব মনে পড়ে ছেলেটার। সেদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছিল...বাতাসও বইছিল খুব। ঝোড়ো হাওয়ায় মেয়েটার ছাতি উলটে গিয়েছিলো ;শত চেষ্টায়ও ঠিক করতে পারছিলো না। ছেলেটা ছাতাটা ঠিক করে দিলো " এই নিন, বাতাসের বিপরীতে ধরবেন, ছাতা উল্টাবে না"। মিষ্টি হাসলো মেয়েটা, " ধন্যবাদ "।
এভাবে দিন যায়...মাস যায়। পহেলা বৈশাখের দিনে ওরা সেজেছিলো আপন মনের রঙ এ । বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেটিকে মেয়েটি ইশারা করে।
" শুনুন ? "
" হ্যা বলুন? "
" শুভ নববর্ষ "
"আপনাকেও নববর্ষের শুভেচ্ছা।"
আর কথা হয়নি। বাস নিয়ে যায় মেয়েটি্কে ... ছেলেটি চেয়ে থাকে অপলক ।
ওই দি্নটির কথা মেয়েটার মনে পড়ে এখনো । ছে্লেটা রাস্তা পার হবার সময় মোবাইলটা পড়ে যাবার পর যখন ওটা তুলতে গেলো , তখন ওর কেন যে গাড়িটার দিকে চোখ গেলো না, তা বিধাতাই জানেন। মেয়েটা এগিয়ে গিয়েছিলো। চেষ্টা করেছিলো ছেলেটাকে বাচাবার। কিন্তু সব কি এক জীবনে পাওয়া সম্ভব?
আজও মেয়েটি বাসে উঠে । যাবার আগে খেয়াল করে ওই বাস স্ট্যান্ডের দিকে। যদি কেউ আসে ওখানে... যদি কেউ তাকায় তার দিকে...।
Subscribe to:
Posts (Atom)
ঘুমনামা
মাঝে মাঝে মনে হয় আমি একা বসে আছি। একটা খালি মাঠের এক কোনে, বিলের পাশের নিচু ঢালে। শুয়েও পড়তে পারি, যদি ইচ্ছে হয়। তারপর কি করব জানি না। আমি অ...
-
দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস ( The Dark Knight Rises) ক্রিস্টোফার নোলানের করা ব্যাটম্যানঃডার্ক নাইট সিরিজের সর্বশেষ ছবি। অসাধারণ এই সিরিজের ...
-
ব লাকা বাসের হেলপারের প্রচলিত কথাগুলো আয়ত্ত করাটা সহজ নয়। আমি আজ পর্যন্ত একটাও ভাল করে বলতে পারি নাই।তবে নামার সময় একটা অদ্ভুত ডাক চলে ...