বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (জুন ২৭, ১৮৩৮- এপ্রিল ৮, ১৮৯৪) বাংলা সাহিত্যের যে কজন দিকপাল রয়েছেন, তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। বলা হয়ে থাকে, বাংলা গদ্যসাহিত্য তাঁর হাত ধরেই প্রাণলাভ করে। তাঁকে সার্থক আধুনিক বাংলা ঔপন্যাসিক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে গীতার ব্যাখ্যাদাতা হিসাবে, সাহিত্য সমালোচক হিসাবেও তিনি বিশেষ খ্যাতিমান। তার কর্মে এবং অসামান্য লেখনীর পারদর্শিতায় বাংলা গদ্যসাহিত্য আজ এতদূর পথ পেরিয়ে আসতে পেরেছে।
Wednesday, April 3, 2013
Monday, February 25, 2013
তোমাকে দেখতে বড় সাধ হয়
তার ছেড়া জামার ভাঁজে রেখে দেয়া একটি চিঠি,
তাতে লেখা, 'তোমাকে দেখতে বড় সাধ হয়'।
একটাবার এসে দেখে যাও,
শুকনো পাতার মতন ঝড়ে পড়ছে বিশ্বাস
যদি তুমি না আস,
এ বিশ্বাস টুকু হারিয়ে যাবে।'
চিঠিতে আরো লেখা ছিল,
'আমার মনের গভীর ছুয়েছিলে সেই কতকাল আগে,
কতটা পথ পেরুলাম তারপর,
কত রাজপথ, অস্পষ্ট ধুলোমাখা শহর...।
তবু তুমি গান হয়ে ভেসে আস,
কোন এক বৃষ্টিমাখা আদ্র সন্ধ্যায়।
অথবা চায়ের কাঁপে, বাবার কথায়,
ছেলেটা কবে ফিরবে বউমা?
'আজ তোমায় পড়ছে মনে
তোমাকে দেখতে বড় সাধ হয়'
এই লেখার সর্বস্বত্ব লেখকের ।এই লেখা লেখকের অনুমতি ব্যাতীত প্রকাশ,মুদ্রণ,অনুলিখন কিংবা কোন রচনায় প্রকাশ করিলে লেখক আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে বাধিত হইবেন।লেখকের মৃত্যুর পর লেখাগুলির সর্বস্বত্ব লেখকের পরিবারের।
Saturday, January 12, 2013
স্পিকার কেনার খুঁটিনাটি
সেদিন টিউশনি করে দুইমাসের টাকা একত্রে হাতে পাবার পর মনে হল এবার একটা স্পিকার কিনব, পুরোনটা দিয়ে আর কিছুদিন পরেই ধোয়া বের হবে (প্রায় ১২ বছর যাবৎ স্পিকার বদলানো হয় নাই)। বাজারে গিয়ে স্পিকার কিনতে গেলাম, এবং সেই মুহুর্তে আমি একটা জিনিষ আবিষ্কার করলাম, আমি স্পিকার কিনতে আসলাম, কিন্তু স্পিকার সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না।
যাই হোক, আমার ছোট ভাই সহ মোটামুটি মানের একটা স্পিকার কিনলাম এবং বাসায় এসে ঘাটাঘাটি শুরু করলাম। অল্প কিছুক্ষণ পড়াশোনা করার পর (বেশিক্ষণ আজকাল মন বসে না) যা বের হল, তা অনেকটা এইরকমঃ
Tuesday, January 1, 2013
নববর্ষ ও বিরহবিলাস
অনেক ভুতুড়ে কিংবা রোমান্টিক সিনেমায় রাস্তার এপারে দাঁড়িয়ে ওপারে তাকিয়ে থাকলে কাউকে না কাউকে দেখা যায়, আবছায়া বা স্পষ্ট, যেটাই হোক না কেন। আমি মাঝে মাঝে ঠিক এভাবে নাবিস্কোর দিক থেকে ওপাশে তাকিয়ে থাকি। মাঝে মাঝে হয়ত কাউকে খুঁজি, কিন্তু কখনো কিছু দেখতে পাইনি। সম্ভাবনা অতি ক্ষীণ, ভৌতিক জিনিষপত্র আমার মতন ভুতের কাছাকাছি ভীড়বে না।
Sunday, December 23, 2012
আইরিনের পরিচিত হাত
একটা হাত যখন আলোতে পড়ে তখন দেখতে খুব ভালো লাগত। একটা পরিচিত হাত। আইরিনের পরিচিত হাত। আলোয় মাখামাখি হাতে সে কলমের আকিবুকি কাটতো। হাতের আঙ্গুলগুলো ভালো করে দেখত, আঙুলের ফাকে ফাকে নিজের আঙ্গুল ঢোকাত।
Thursday, November 29, 2012
রজব আলীর ইতিবৃত্ত
রজব আলীর পূর্ব ইতিহাস সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি
না। দীর্ঘ কাঁচাপাকা চুলের বয়স কত, তাও এখনো আমাদের কাছে একটা রহস্য। হুদা লেনের
একপাশে রজব জুতো পালিশের জন্য বসে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। কাঠের পিড়িতে
সারাদিন বসে থেকে সে শুধু জুতো পরিস্কার করে, নাকি আর কিছু ভাবে, সেটা দেখার সময়
পাড়ার নেড়ি কুকুরটা ছাড়া আর কারো আছে বলে মনে হয় না। হুদা লেনের লোকজন কেবল
জানে, রজব আলী নামে একজন মুচি আছে, যাকে একপাটি ছেড়া ময়লা ছাল ওঠা জুতো দিলেও তা
চমৎকারভাবে সারিয়ে তুলবে।
Saturday, September 22, 2012
Algae fuel : Next Generation Biofuel
Biodiesel is usually made by combining methanol and lye with vegetable
oil, animal fat, or recycled cooking grease. It can be blended with ordinary
diesel to reduce vehicle emissions or used in its pure form. And it can even be
transformed into a kerosene-like jet fuel. Unfortunately, the world doesn't
currently have enough vegetable oil or old grease to make sizable quantities of
biodiesel. Even if the United States were to devote its entire annual crop of
soybeans to producing biodiesel, it would barely make a dent. But no nation
would ever do that, because food production is still the No. 1 use for soybean
oil. Algae, on the other hand, need not present such a conflict.
Algae fuel might be an alternative to fossil fuel and uses algae as its source of natural deposits. Several companies and
government agencies are funding efforts to reduce capital and operating costs
and make algae fuel production commercially viable. Harvested algae, like fossil fuel,
release CO2 when burnt
but unlike fossil fuel the CO2 is
taken out of the atmosphere by the growing algae.
Sunday, July 1, 2012
হিজিবিজি আর হিজিবিজি।
(সমতল থেকে এক বন্ধু কোথায় যেন চলে যাচ্ছে। আমি তার কাছে গেলাম। )
বন্ধু , তোমার লক্ষ্য কোথায়?
- ওই পাহাড়ের চূড়া।
সেখানে যাবে কিভাবে?
-কেন? পথ তো গেছে সেদিক দিয়েই...পথ ধরেই যাব।
পথে যে অনেক কাঁটা?
-কাটা তুলে নেব।
তাতে তো তোমার দেরী হবে, যেতে পারবে কি অতটা পথ?
-তা তো হবেই, দেরী হবে। তবে পথ তো চেনা।
পথের বাঁকের মায়াগুলো কাটাতে পারবে? আমাদেরকে ভুলতে পারবে?
-নাহ্ , তোমাদেরকে ভুলি কি করে? তোমরা তো আমার আপনজন।
তাতে তোমার পাহাড়ের বুকে ওঠার আরো দেরী হবে, পথের বোঝা আরো ভারী হবে...
-হয় হোক। তাতে যা পাব, সেটাই ঢের ভালো হবে।
আমাদেরকে ভুলে যাবে?
-কক্ষনো না!
(পাশে ফিরে দেখি, একজন ফিরে আসছে। হাতে-পায়ে ক্ষত। মুখে প্রশান্তির ছায়া, কিন্তু চেহারায় হালকা বিষণ্ণতার ছায়া।)
তুমি তো জয় করে ফেললে হে!
-(হেসে) ...তা বলতে পারো।
এখন তো তোমার অনেক আশা ফুরোল...
-ফুরোয়নি, আরো বেড়েছে। জমা হয়েছে অনেক।
মায়ের কথা মনে পড়ে?
-খুব।
বাবার কথা?
-জানো, কেন যেন মনে হচ্ছে বাবাকে এখন দেখলে চিনব না...।
ভাই-বোন, আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব...
-আর বোল না ভাই, কান্না পাচ্ছে খুব।
কেন? এখন তোমার নজর নেবে সবাই, সবাই তোমাকে ভালোবাসবে, খ্যাতি ছড়িয়ে পড়বে, তুমি স্বনামধন্য হবে। জনে জনে তোমার নাম ধরে বলবে- "এই সেই মানবসন্তান, যে নিজের ভালোবাসাকে তুচ্ছ মনে করে, জগতের মায়া ছেড়ে ওই চূড়ায় ওঠার জন্য গিয়েছিল। এখন তোমার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী, তুমি সফল, তোমার জীবন ধন্য!
-এই কষ্টের পরিণাম কি জানো? ভালোবাসাহীন একাকীত্বের জীবন। এখন আমি একা। শুধুই একা।
(সে আস্তে আস্তে এগিয়ে যায় সমতলে। সকলে তাকে দেখে আনন্দে মেতে ওঠে, উল্লাস করে। কিন্তু তার বিষণ্ণ চাহুনি আমার চোখে লেগে লেগে থাকে। বড্ড করুণ সে চাহুনি, বড্ড কালচে আর অভিমানী। )
এই লেখার সর্বস্বত্ব লেখকের ।এই লেখা লেখকের অনুমতি ব্যাতীত প্রকাশ,মুদ্রণ,অনুলিখন কিংবা কোন রচনায় প্রকাশ করিলে লেখক আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে বাধিত হইবেন।লেখকের মৃত্যুর পর লেখাগুলির সর্বস্বত্ব লেখকের পরিবারের।
Wednesday, June 27, 2012
ক্যাম্পাস || সকাল থেকে দুপুর আর একজন নাফিসের গল্প
সকালবেলা বাইরে থাকা একসারি চায়ের দোকান থেকে ভার্সিটিটাকে দেখতে খারাপ লাগে না। আমি মাঝে মাঝে বসে বসে হারুন মামার দোকানে চা খাই আর ভার্সিটিকে ভালো করে দেখি। চার বছর আগে যেমনটা দেখতাম, এখনো তেমনটাই আছে, তেমন একটা বদলায় নি। তবে বদলাচ্ছে কোথাও, কোথাও একটা সূক্ষ্ম পরিবর্তন হচ্ছে ঠিকই। সেটা খুজতে হবে...উত্তর হয়ত আছে আমাদের সামনেই।
Friday, June 8, 2012
জীবন
ভেঙ্গে গেছে খেলাঘর,
অবসরে চলে গেছে কৈশোর ।
প্রতিদিন ছুটির তাগাদা দিয়ে যাচ্ছে যৌবন ।
স্বপ্নগুলো সিগারেটের ধোঁয়ার সাথে
কোথায় যেন মিলিয়ে যাচ্ছে ।
ভালোবাসার রঙ হয়ে গেছে ধূসর ।
আর আমি নিয়ত ব্যস্ত শুধু আমাকে নিয়েই ।
আমাকে নিয়েই কী ?
কই এত আমি নই !
আমার মাঝে ঢুকে গেছে কতজন,
ভোর হতে সুখ কুড়িয়ে এনে তাদের দেই,
এই হলো জীবন, এক চিরন্তন নাট্যশালা,
বিরতিহীন নাটক !
অভিনেতার মৃত্যু যেখানে সম্ভব,
কিন্তু নাটক শেষ হবার নয়, কোনদিন নয় !!!
এই লেখার সর্বস্বত্ব লেখকের ।এই লেখা লেখকের অনুমতি ব্যাতীত প্রকাশ,মুদ্রণ,অনুলিখন কিংবা কোন রচনায় প্রকাশ করিলে লেখক আইনানুগ ব্যাবস্থা নিতে বাধিত হইবেন।লেখকের মৃত্যুর পর লেখাগুলির সর্বস্বত্ব লেখকের পরিবারের।
Saturday, June 2, 2012
টুসকি ও তারা দুইজন
'আচ্ছা, ধর, আমরা সবাই মিলে যদি গর্জ্যেস ম্যলিসের জন্মদিন পালন করি, তবে কেমন হয়?'
নাবিলের এই প্রশ্ন শুনে বিষম খেলাম।'গর্জিয়াস মালিশ!! সেইটা আবার কি?'
নাবিল আমার কথা শুনে ভ্রু কূঁচকাল।' ধুর ব্যাটা মালিশ বলছিস ক্যানো? ম্যলিস্ ম্যলিস্-গর্জেস্ ম্যলিস! ফ্রান্সের বিখ্যাত ১০ জন ফিল্ম ডিরেক্টরদের একজন। হুগো দেখিস নি বুঝি?'
সকালে ক্যান্টিনে খেতে বসেছিলাম। এত্ত জ্যাম ঠেলে যখন ভার্সিটি পৌছাই তখন খিদের চোটে মাথায় কিছু থাকে না। এমনিতেই ক্ষুধায় কাতর, তার উপর নাবিলের হঠাৎ প্রশ্নে বিষম খেলাম।
নাবিল আমার সামনের চেয়ারটা ঠেলে বসল। ' শোন। ধর আজকে তুই এমন একটা কাজ করলি, যেটার কথা আজ থেকে ৯০ বছর পরও লোকে স্মরণ করছে। তখন তোর কি মনে হবে?'
Subscribe to:
Posts (Atom)
ঘুমনামা
মাঝে মাঝে মনে হয় আমি একা বসে আছি। একটা খালি মাঠের এক কোনে, বিলের পাশের নিচু ঢালে। শুয়েও পড়তে পারি, যদি ইচ্ছে হয়। তারপর কি করব জানি না। আমি অ...
-
রজব আলীর পূর্ব ইতিহাস সম্পর্কে আমরা তেমন কিছুই জানি না। দীর্ঘ কাঁচাপাকা চুলের বয়স কত, তাও এখনো আমাদের কাছে একটা রহস্য। হুদা লেনের একপ...
-
দ্য ডার্ক নাইট রাইজেস ( The Dark Knight Rises) ক্রিস্টোফার নোলানের করা ব্যাটম্যানঃডার্ক নাইট সিরিজের সর্বশেষ ছবি। অসাধারণ এই সিরিজের ...